মেহেরপুরে মানসম্মত শিক্ষার দিকপাল জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ

মেহেরপুর সদর উপজেলা পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ডকাঁশারীপাড়ায় অবস্থিত  প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সাল থেকে ৫ম শ্রেণি পযন্ত শুরু হয়ে পযায়ক্রমে ১০ম শ্রেণি পযন্ত উন্নিত হয়েছে ৪৮ শতক জমির উপর মসজিদ,  ২৩টি কক্ষবিশিষ্ঠ তিন তলা ভবন রয়েছে।

মেহেরপুর বাসীর  দীঘ দিনেরপ্রত্যাশা আধুনিক ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা কর। সে স্বপ্নকে সামনে নিয়ে ২০০৪ সালে আন্-নূর ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠতা আল-আমিন ইসলাম বকুল অত্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেন  জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ ।



বর্তমানেপ্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৯০০ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখা পড়া করছে। শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলে প্রতিষ্ঠানটি ৫ম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে মেহেরপুর জেলার মধ্যে সবোচ্চসংখ্যক বৃত্তি পেয়ে সূধীমহলের দৃষ্টি আকর্ষণকরতে সক্ষম হয়েছে৤জে. এস. সি. ও এস. এস. সি. পরীক্ষার ফলাফলও সন্তোষজনক।আরও উন্নত পরিবেশে শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে মেহেরপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে ৩ তলা ভবন নির্মিতহয়েছে যেখানে শ্রেণী কক্ষ ছাড়াও সমৃদ্ধ বিজ্ঞান ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, চিত্ত-বিনোদনের জন্য হলরুম, খেলার মাঠ, পাঠাগার ও মসজিদ রয়েছে। ইতোমধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠান যশোর শিক্ষা বোর্ডথেকে ২০১০ সালে নিম্ন মাধ্যমিক স্বীকৃতি ও ২০১১ সাল থেকে ৯ম ও ১০ম শেণির প্রাথমিক পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে । আলোকিত মানুষ গড়াই স্কুলটির  লক্ষ্য।



পিএসসি, জেএসসি পর এসএসসি পরীক্ষারও মেহেরপেুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ জেলার শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে শতভাগ পাশ করা সহ ৭ জন গোল্ডেন সহ ১৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। রবিবার দুপুরের দিকে ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে মেহেরেপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলেই পাশ করার রেকর্ড ধরে রাখল।



এদিকে ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর পরই জিনিয়াসের শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে ওঠে। প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে শহরে আনন্দ মিছিল করে। জিনিয়াসের উপাধ্যক্ষ সামসুর রহমান টুটুলের নেতৃত্বে র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। জিনিয়াসের পরিচালক আলামিন ইসলাম বকুল সকল শিক্ষক ও শিক্ষর্থীদের অভিনন্দন জানান এবং মিষ্টি বিতরণ করেন। জিনিয়াস থেকে মোট ৪৩ জন পরীক্ষা দিয়ে শতভাগ পাশ করার পাশপাশি ৭ জন গোল্ডেন জিপিএ এবং ১২ জন জিপিএ-৫ লাভ করে।



যারা এই কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখল তারা হলো গোন্ডেন জিপিএ-৫ আসাদুজ্জামান হাচিব, সিরাজাম মুনিরা, শামিমা আখতার পলি, সুমাইয়া আখতার কহিনুর, হালিমা বেগম, নিশাত জেরিন ও সুমাইয়া আখতার।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা হলো আব্দুর রহমান পিয়াস, আবু বকর সিদ্দিক, সামিউল খান শিমুল, এএম অংকন, আব্দুস সাফি, হাসনাইন আহাম্মদ, আশিকুজ্জামান, আবু জোরায়ের আকাশ, সুমাইয়া আখতার জোতি, মাইশা আল নুর পেখম, মেহেনুর খানম মনিকা, সালমিন আক্তার লাকি।



বাঁকিরা হলো নওশিন ফারিহা, তৌফিক এলাহী, সোয়াইব রহমান রুমি, কায়েস মাহামুদ ইমরান, তানজিদ হুসাইন, কাজি আহাম্মেদ রাফি, আবু সাইদ, হাসিবুল হোসেন শান্ত, সাজেদুর রহমান প্রান্ত, শাহিন হাসান অনিক, মোমিনুল ইসলাম, সুমাইয়া আখতার. রুশিয়া খানম আনিকা, ফারিহা তাসনিম জারিন, নিশাত তাসনিম, রেজওয়ান পারভীন, মশিউর রহমান, আব্দুল ওয়াহিদ, মাশারুক-ই-এলাহি, রুবাইয়াত ইসলাম রাহাত, সোয়াজ আলী, উম্মে হাফছা, জান্নাতুল নাইম এবং উম্মে হুমায়রা সুলতানা।

উল্লেখ্য চলতি সালে প্রকাশিত পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় মেহেরপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে শতভাগ পাশ করা হয়। উল্লেখ্য চলতি সালে প্রকাশিত পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষায় জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করে। এসএসসি পরীক্ষাতেও তাদের সেই ধারাবাহিতা বজায় রাখল।




Share this:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Copyright © মেহেরপুর ২৪. Designed by OddThemes