মেহেরপুরে শাখা অালুর চাষে ভাগ্য বদলেছে অনেকের

শাখ আলু (শাখালু, শাখা আলু, শাক আলু, শাকালু) এক প্রকার মূল জাতীয় সবজি। শাখ আলু গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Pachyrhizus tuberosus, যা ‘Fabaceae’ পরিবারভুক্ত। ইংরেজিতে একে Goitenyo, Goiteño, nupe, jacatupe বা Amazonian yam bean বলা হয়। এই গণভুক্ত (Pachyrhizus) ৫ বা ৬টি প্রজাতি রয়েছে যার মধ্যে শাখ আলু প্রজাতিটি (Pachyrhizus tuberosus) বাংলাদেশে প্রচলিত।

এটি চিরহরিৎ লতা জাতীয় লিগিউম উদ্ভিদ যা ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।[১] এর মূলের খোসা সাদাটে বাদামি, ভেতরটা সাদা, শালগমাকৃতির। একটি গাছে ২ বা ততোধিক আলু হয়। প্রতিটি আলু ১৫-২৫ সেমি লম্বা হয়। এই মূল বা আলু অত্যন্ত রসালো, কচকচে এবং মিষ্টি। খোসা ছাড়িয়ে এটি কাচা খাওয়া হয়। এর খোসা ছাড়ানো খুবই সহজ। এটি রান্না করেও খাওয়া যায়। শাখ আলুতে প্রচুর স্টার্চ ও আমিষ (৯%) থাকে। এই গাছে যে শিম হয় তা ৩২% আমিষ সমৃদ্ধ। শিমও খাওয়া যায়। এর পাতায় ২০-২৪% আমিষ থাকে এবং এই পাতা খাওয়া যায়।



এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা হলেও এটি পৃথীবির বহু স্থানে জন্মায়। সাগর সমতল থেকে ৫০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত এটি জন্মাতে সক্ষম। বালুময় সাগর তীর বা নদীর তীরে এটি ভাল জন্মে। এর ফুল সাদা এবং উভয়লিঙ্গিক। পোকা-মাকড়ের মাধ্যমে এর পরাগায়ণ ঘটে। এটি মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন ঘটায়। একটু স্যাঁতসেতে বেলে এবং বেলে-দোআঁশ মাটি এর জন্য উপযুক্ত। এটি ছায়া এবং তুষার সহ্য করতে পারেনা। একটু উঁচু বেড তৈরি করে এর চাষ করা উচিত। [১] দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অঞ্চলে এটির চাষ করা হয়।

Share this:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Copyright © মেহেরপুর ২৪. Designed by OddThemes