মেহেরপুর হাসপাতালের গুদামে ওষুধ থাকলেও পাননা রোগীরা


মেহেরপুর হাসপাতালের গুদামে ওষুধ থাকলেও পাননা রোগীরা. গুদাম ভর্তি ওষুধ থাকলেও তা দেয়া হয়নি রোগীদের। এমনকি দেয়া হয়নি সামান্য স্যালাইনটুকুও। শুধু তাই নয়, অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হয়ে গেছে কোটি টাকার ডিজিটাল এক্স-রে, অ্যালটাসনোগ্রাফিসহ বেশ কিছু যন্ত্রপাতি। এমনই অভিযোগে, মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে অভিযানে যায় দুদক। সব অনিয়মের সত্যতাও মেলে। তবে তা অস্বীকার করেছেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক। গুদাম ভর্তি ওষুধ। তবু অভাবে ছিলেন রোগীরা। জুটতোনা সামান্য স্যালাইনটুকুও। এমন অভিযোগেই দুদকের আকষ্মিক অভিযান মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের। সত্যতাও মিলেছে এসব অনিয়মের। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রহিমা হাসপাতালে ভর্তি ৬ দিন। ভর্তির দিন থেকেেএ পর্যন্ত ২৬টি স্যালাইনের প্রত্যেকটিই কিনতে হয়েছে তাকে এছাড়া ইন্জেকশান সহ অন্যান্য সকল জিনিসই কিনতে হয় রোগীদের। গুদাম ভর্তি ঔষধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান থাকলেও সরাসরি রোগীদের হাতে প্রেসক্রিপশান ধরিয়ে দেয় এখানকার নার্স এবং বয়রা। হাসপাতালের গেটে থাকা ঔষধের দোকান এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলি থেকে মোটা টাকা কমিশনও খেয়ে তাকে হাসপাতালের ডাক্তার এবং নার্সরা। দিনের পর দিন রোগীদেরকে কোন ঔষধ না দিলেও দুদকের প্রতিনিধিদের সামনে গুদাম থেকে ঔষধ এনে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া হাসপাতালের কোটি কোটি টাকা দামের ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিনসহ বেশ কিছু মেশিন। একটু জটিল রোগী পেলে তাতেরকে না দেখেই পাঠিয়ে গদয়া হয় ঢাকা কিংবা রাজশাহী। যাদের অধিকাংশই পথিমধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কোন রকম চিকিৎসাসেবা ছাড়াই ।
আবুল কাশেম,যিনি হাসপাতালের এক্সরে অপারেটর, তিনি জানান সি আর মেশিনে শ্যাডো আসার কারণে মেশিনটি আর চালানো হয়না এবং জানানো হয় আমেরিকা থেকে বিশেষজ্ঞ এনে মেশিনটি সারানো হবে। এর আগে পর্যন্ত মেশিনে কোন কাজ করা হবেনা । এভাবেই দিনের পর দিন অত্যাধুনিক মহামূয়ল্যবান মেশিনগুলি সামান্য ত্রুটির কারণে কোথাওবা প্রশিক্ষিত অপারটরের অভাবে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। রোগরিা হচ্ছে প্রতারিত এবং সরকার হচ্ছে লোকশানের ভাগী কিন্তু মাঝখানে হাসপাতলের ডাক্তারগন হচ্ছেন লাভবান। কারণ হাসপাতালে যদি এসকল টেষ্ট করা সম্ভব হত তাহরে ডাক্তারগণ কোনরকম কমিশন পেতেননা কিন্তু বাহিরে বেসরকরী ডায়াগনষ্থেটিক সেন্টার থেকে করলেই প্রেসক্রিপসনের উপরে লেখা ডাক্তারের ঠিকানাই পৌছে যায় মোটা কমিশন । এই কমিশনের লোভেই ডাক্তার রুপি কসাইগণই ইচ্ছাকৃতভাবে মেশিনগুণি অকার্যকর করে রেখেছে এটা প্রমাণিত সত্য। কিন্তু এব্যাপারে দেখবার মতো কি কেউই নেই?এভাবেই কি দিনের পর দিন এসকল গরীব দুঃখী আর অসহায়দের রক্ত শোষন করে যাবে ডাক্তাররুপী নরপিশাচগণ।


Share this:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Copyright © মেহেরপুর ২৪. Designed by OddThemes