প্রাকৃতিক

স্মৃতি ও ইতিহাস

অর্থনীতি

সর্বশেষ আপডেট

মৌচাকে কোডার্সট্রাস্টের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন

জুলাই ১৬, ২০১৯


"দক্ষতা অর্জন করুন, নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলুন" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীর মৌচাকে ১২ই জুলাই, ২০১৯ বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টার কোডার্সট্রাস্ট এর ৫ম ক্যাম্পাসের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়। এই মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল করিম, সাবেক মুখ্য সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নজরুল ইসলাম খান, সাবেক শিক্ষা সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এছাড়াও অনলাইনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব আজিজ আহমেদ, কো-ফাউন্ডার এবং চিফ স্ট্রাটেজিস্ট, কোডার্সট্রাস্ট এবং ম্যাডস গ্যালসগার্ড, সিইও, কোডার্সট্রাস্ট। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জনাব আতাউল গণি ওসমানী, কান্ট্রি ডিরেক্টর, কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশব্যাপি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পর্যায়ক্রমে ঢাকার বাইরেও ক্যাম্পাস স্তাপনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

কোডার্সট্রাস্ট এর কো-ফাউন্ডার আজিজ আহমেদ বলেন, "কোডার্সট্রাস্ট প্রতিষ্টার শুরু থেকেই বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।" তিনি নতুন প্রজন্মুকে মানস¤পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাফল্যের পথে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষতঃ বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষিত যুবসমাজকে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে দক্ষতা অর্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব আব্দুল করিম বলেন, "কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজকে কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তুলবে যা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখবে।" তিনি জানান যে অপার সম্বাভনাময় এই বাংলাদেশে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দরকার মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা। উচ্চ মানসম্মত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি কোডার্সট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানান।

কোডার্সট্রাস্টের সিইও ম্যাডস গ্যালসগার্ড বলেন, "কোডার্সট্রাস্ট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে বিভিন্ন দেশে কাজ করে যাচ্ছে।" তিনি বলেন খুব শীঘ্রুই কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ বিশ্বের বিখ্যাত ইন্সটিটিউশনদের সাথে যৌথভাবে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ এবং সনদ প্রদান করবে।

সাবেক শিক্ষা সচিব জনাব নজরুল ইসালাম খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং একটি ব্যাপক জনপ্রিয় মাধ্যম। বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির অপার সম্বাভনাকে কাজে লাগিয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি কিংবা অবসরের পরেও উপার্জন করা সম্ভব।" তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ তার প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত করবে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় তার কার্যক্রম ছড়িয়ে দেবে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কেক কেটে সম্মানিত অতিথীরা কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ এর মৌচাক ক্যা¤পাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সম্মানিত অতিথিবৃন্দ পরে নতুন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাসরুম পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ এর মৌচাক ক্যা¤পাসের শিক্ষার্থী, কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশ এর সকল কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুল কপি ও বাধা কপির চাষ হচ্ছে মেহেরপুরে

নভেম্বর ২৩, ২০১৮
মেহেরপুরে আগাম বাঁধা কপি ও ফুল কপি  চাষ করে শত শত বেকার যুবক তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে আগাম কপি চাষ। এ বছর আগাম জাতের বাঁধা কপি ও ফুল কপি চাষে লাভের আশায় বুক বেঁধেছেন সবজি চাষে বিখ্যাত মেহেরপুরের সবজি চাষিরা।

জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করবে বলে মনে করছেন চাষিরা।
মাটির উর্বরতা শক্তি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য উপযোগী হওয়াই মেহেরপুর জেলায় বছরের ১২ মাসই চাষ হয় বিভিন্ন জাতের বাঁধা কপি, ফুল কপিসহ নানা ধরনের সবজি। বেশ কয়েক বছর জেলার আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় বিভিন্ন সবজি চাষে লোকসান গুনতে হয়েছে। তবে এবার আবহওয়া অনকূলে থাকায় জেলার অনেক কৃষক আগাম বাঁধা কপি চাষ করছেন।
কৃষকরা জানান, এক সময় সাহারবাটির বালুময় জমিতে ধান-পাট ছাড়া অন্য ফসলের চাষ তেমন একটা হতো না। ২০ বছর আগে এ গ্রামে কপির চাষ শুরু হয়। লাভজনক আবাদ হিসেবে কপি চাষে আগ্রাহী হয়ে উঠেন এলাকার কৃষকরা। এরপর ৫/৬ বছর আগে থেকে এ এলাকার চাষিরা আগাম কপি চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। নিজের অভিজ্ঞতায় চাষিরা এ চাষ শুরু করেন। আগাম কপি চাষ সাহারবাটি গ্রাম পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বিভিন্ন গ্রামে। এ চাষের মাধ্যমে কৃষকরা বেশ লাভবানও হচ্ছেন। এখানকার উৎপাদিত কপি জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার বাধা শ্যামপুর গ্রামের বাঁধা কপি চাষি আব্দুল বারী জানান, প্রতি বছর তিনি বাঁধা কপিসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করে থাকেন। এবার আবহওয়া অনুকূলে থাকায় বাঁধা কপির ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা এবার লাভবান হবেন বলে তিনি মনে করছেন।
গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের সবজি চাষি আওয়াল হোসেন বলেন, প্রতি বিঘা বাঁধা কপি ও ফুল কপি চাষ করতে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। কপি চাষ করতে খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হয় না। তাই তিনি প্রতি বছর বাঁধা কপি চাষ করেন। এ বছর তিনি তিন বিঘা জমিতে বাঁধা কপি চাষ করছেন। তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা মতো। এ বছর বাঁধা কপির ভালো ফলন হওয়ায় এ জমি থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা আয় হবে বলে মনে করেন।

আগাম কপি চাষি সোহেল আহামেদ জানান, তিনি এবার ২০ বিঘা জমিতে আগাম কপির চাষ করেছেন। এ চাষে তার বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা, বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। বিঘাপ্রতি জমিতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে।

একই এলাকার কপি চাষি তুহিন আলী বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে এ চাষে আরো উন্নতি ঘটানো সম্ভব। মেহেরপুরের বাঁধা কপি জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বড় বড় জেলায় সরবরাহ করা হয়। বাজারে আগাম কপির চাহিদাও ভালো। আগাম কপি তোলার পর সে জমিতে আলুসহ অন্যান্য ফসলের চাষ হয়।

সাহারবাটি বীজ ভাণ্ডার পরিচালক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আগাম চাষের জন্য স্বল্প মূল্যে ট্রপিক স্টার জাতের বাঁধা কপির ও ফুল কপি বীজ কৃষকদের মাঝে তিনি সরবারহ করেন। এবারও তার প্রতিষ্ঠান কৃষকদের মাঝে এ বীজ সরবারহ করেছে। তিনি বলেন, বাঁধা কপি ও ফুল কপি শীতকালীন সবজি হিসেবে আবাদ করা হলেও মেহেরপুরে সারা বছরই চাষ হচ্ছে। কৃষকরা যাতে আরো সহজ উপায়ে ও স্বল্প খরচে কপির চাষ করতে পারে সে জন্য বেশি করে মাঠ দিবস করে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করা হবে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান জানান, এ বছর জেলার ৪০ হেক্টর জমিতে আগাম কপি চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খরা না থাকলে এ সবজি চাষ করে আরো বেশি লাভবান হবে কৃষকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খরা মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে আগাম কপি চাষ আরো ভালো যেন করতে পারে তার জন্য জেলার কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।



মুজিবনগরের ভাস্কর্য অযত্ন আর অবহেলায় জরা জীর্ণ

নভেম্বর ১৪, ২০১৮


১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখতে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য। কিন্তু সংস্কারের অভাবে ওই সব ভাস্কর্য এখন জরা জীর্ণ। তবে দ্রুত এগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এই মুজিবনগর হাতছানি দেয় নানা ইতিহাস জানার। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠন হয় বাংলাদশের অস্থায়ী সরকার। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে অনুষ্ঠিত হয় অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ। সেই ইতিহাসকে টিকিয়ে রাখতেই নির্মাণ করা হয় এসব ভাস্কর্য।

তবে অযত্ন আর অবহেলায় সেগুলো এখোন জরাজীর্ণ। নেই সংস্কারের কোনো উদ্যোগ।

এদিকে, প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দ্রুত সংস্কারের বিষয়টি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।

আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগরের ইতিহাস তুলে ধরার ক্ষেত্রে বৈদ্যনাথ তলার স্মৃতি চিহ্ন রক্ষার বিকল্প নেই- এমনটাই মনে করে এলাকাবাসী।







মেহেরপুরে আমের বাগান

নভেম্বর ১৩, ২০১৮

মেহেরপুরে ভরা মৌসুমে আমের মুকুলে ভরে উঠেছে বাগান। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন আম চাষিরা।

মেহেরপুর সদর, মুজিনগর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম বাগানগুলো মুকুলে মুকুলে ভরে উঠলেও গুটি বাধার আগেই তা বিবর্ণ হয়ে ঝরে পড়ছে। দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের রোগ-বালাই। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে কীটনাশক স্প্রে করছেন চাষিরা।

এ অবস্থায় আমের উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তারা। তবে মুকুল রক্ষায় চাষিদের নানা পরামর্শ দেয়ার হচ্ছে বলে জানান জেলার কৃষি কর্মকর্তা। এ বছর জেলার ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।




মেহেরপুরে পুরোনো কাপড়ে নতুন পণ্য

নভেম্বর ১২, ২০১৮






মেহেরপুরে দিন দিন বাড়ছে কলার আবাদ

নভেম্বর ০৯, ২০১৮



একবার চারা রোপণ করে ২৪ মাসে তিনবার ফলন পাওয়া যায়। খরচ কম; লাভ বেশি, তাই মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলার কলা চাষিদের ভাগ্য বদলে সুদিন এসেছে। মাটি ও আবহাওয়া কলা চাষের উপযুক্ত তাই দিন দিন মেহেরপুরে কলার আবাদও বাড়ছে। মেহেরপুরের এই কলা চাষ, ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

জেলার মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী, দারিয়াপুর, গৌরিনগর, পুরন্দরপুর, গোপালনগর, বাগোয়ান, আনন্দবাস, মহাজনপুর, গোপালপুর, কোমরপুর ও যতারপুর এবং মেহেরপুর সদর উপজেলার বন্দর, আমদহ, চকশ্যামনগর, আশরাফপুর, নূরপুর, পিরোজপুর, টুঙ্গী, কাঁঠালপোতা, সোনাপুর, বলিয়ারপুর, গহরপুর, কলাইডাঙ্গা, যুগিন্দা, রাজনগর, আমঝুপি ও চাঁদবিল গ্রামের মাঠে প্রচুর কলার চাষ হয়েছে। অন্যদিকে গাংনী উপজেলার কিছু কিছু মাঠেও কলা চাষ শুরু হয়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগের হিসেব মতে, গেলো মৌসুমে জেলায় কলা চাষ হয়েছে এক হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৫’শ হেক্টর ছাড়িয়ে গেছে। আগামী মৌসুমে ২ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে যাবে বলে জেলা কৃষি বিভাগের ধারণা।

মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের চাষি আতাউর রহমান জানান,  প্রথম দিকে গ্রামের মাঠের এক বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছিলেন। ভালো লাভ হওয়ায় পরে আবারো দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন। এরপর থেকে কলার আবাদ প্রতি বছরই করছেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের সুুমন হোসেন জানান, কলা চাষে কম পরিশ্রমে ও কম খরচেই অধিক লাভ হওয়া এবং জমি থেকে ব্যবসায়ীরা কিনে নেওয়ায় দিন দিন কলা চাষে ঝুঁকছেন আমাদের এলাকার চাষিরা। তাছাড়া জেলা থেকে প্রতিদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মেহেরপুরের এ কলার চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে জেলা থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ ট্রাক ও আলমসাধুসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে কলা দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কলা চাষে সব ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি একই জমিতে দুই অথবা তিন বছরের বেশি কলার চাষ না করতে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি। দুই বছর কলার চাষ ও পরের বছরে আবার অন্য যে কোনো সবজি আবাদের পর আবারো কলা চাষ করলে জমির ক্ষতি হবে না।

তথ্য সূত্র : ইত্তেফাক



মেহেরপুরের গাংনীতে ধনেপাতা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেক চাষী

নভেম্বর ০৮, ২০১৮

মেহেরপুরের গাংনীতে বিভিন্ন গ্রামের অনেক কৃষক ধনেপাতা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। হয়েছেন সাবলম্বি। শুধু ধনেপাতা চাষ করেই গাড়িবাড়ি করেছেন জেলার অনেক কৃষক। প্রায় প্রতিবছরই সফলতা আসায় ধনেপাতা চাষের প্রতি আগ্রহও বেড়েছে কৃষকদের। এখন চলছে ধনেপাতা মৌসুম। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধনেপাতা নিয়ে ছুটছেন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

সবজি চাষীরা জানান, ১০ বছর আগে মেহেরপুরের গাড়াবাড়িয়া গ্রামে শুরু হয় ধনেপাতার চাষ। তখন ধনেপাতা চাষ করতেন হাতেগোনা দুতিনজন কৃষক।

তাদের সফলতা দেখে এখন অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এখন ধনেপাতা চাষ গাড়াবাড়িয়া গ্রামে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছড়িয়ে পড়েছে আরো অনেক গ্রামে।

জেলার অনেক গ্রামে এখন ধনেপাতা চাষ হচ্ছে।

 গাংনীর ধনেপাতা চাষী আব্দুল মজিদ জানান, ধনেপাতা চাষ করতে করতে কৃষকরা বুঝে গেছেন ধনেপাতা চাষের পদ্ধতি। আগে ধনেপাতা চাষে লোকসান হতো। এখন প্রায় সব চাষীই ধনেপাতা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

মেহেরপুরের  ধনেপাতা চাষী শরীফউদ্দীন জানান, চলতি মৌসুমে শুরুর দিকে ধনেপাতা বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা কেজি দরে। এখন দাম একটু কমেছে। ১৩০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ধনেপাতা। এবছর যারা ধনেপাতা চাষ করেছেন তাদের প্রায় সবাই লাভবান হয়েছেন।

-এইবেলা ডটকম


মেহেরপুরে সরিষার আবাদ, উচ্চ ফলনশীল জাত চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক

নভেম্বর ০৭, ২০১৮



উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন মেহেরপুরের চাষিরা। আমন ধান সংগ্রহের পর জমি ফেলে না রেখে এ আবাদ করছেন তারা। আর এতে সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
মেহেরপুরের মাঠ জুড়ে এখন হলুদের সমারোহ। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি ১৪ ও ১৫ জাতের উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষ করেছেন কৃষকরা। নতুন এ জাতে ফলন ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন তারা।

উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা চাষে খরচ হয় বিঘা প্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। ফলন পাওয়া যায় ৬ থেকে ৮ মণ। রবি শস্যের মধ্যে সবার আগে ঘরে ওঠে এ ফসল।
সংগ্রহ করা যায় ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে। পরে একই জমিতে করা যায় বোরোর আবাদ।বারি ১৪ ও ১৫ জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।


কৃষি অধিদপ্তরের হিসেবে, এবার জেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১৫শ ৫৪ মেট্রিক টন। এখন পর্যন্ত চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।

২০১৬ সালে মেহেরপুর জেলাকে খুলনা বিভাগের প্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষনা করা হয়

নভেম্বর ০৬, ২০১৮


মেহেরপুরকে বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা ঘোষনা করলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। শনিবার দুপুরে মেহেরপুর স্টেডিয়াম মাঠে বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা ঘোষনা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা ঘোষনা করেন এবং উপস্থিত সকলবে শপথ করান।
জেলা প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর-২ আসনের (গাংনী) সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বেগম সেলিনা আখতার বানু, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার বিষয়ক) ভারপ্রাপ্ত সচিব এন এম জিয়াউল আলম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক আব্দুল হালিম, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর টিম হুয়াইট, মেহেরপুর পুলিশ সুপার হামিদুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিয়াজান আলী, মেহেরপুর পৌর মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু।
গণসমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন, মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আসাফ উদ দৌলা, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক,
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বশির আহমেদ, জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম রসুল, সাংবাদিক রফিকুল আলম, জেলা মহিলা সংস্থার সভানেত্রী শামিম আরা হীরা প্রমুখ। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুত পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে ‘১৮ বছরের আগে মেয়েদের এবং ২১ বছরের আগে ছেলেদের বিয়ে নয়’ বিষয়ক একটি মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়। ডিসপ্লে প্রদর্শন শেষে মন্ত্রি পরিষদ সচিব মেহেরপুর জেলাকে বাল্যবিাহ মুক্ত ঘোষনা পত্র পাঠ করেন এবং উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষকে শপথ পাঠ করান। গণসমাবেশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনীতিবিদ, কাজী, ইমাম, সাংবাদিক সহ সর্বস্তরের প্রায় দশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত, জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা গত ৬ মাস ধরে ‘যেখানেই বাল্যবিবাহ সেখানেই প্রতিরোধ’ শ্লোগানে জেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত জেলা ঘোষনার লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে বাল্যবিাবাহের ঘটনায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জেল জরিমনা করেন। বাল্যবিবাহের ঝুকিমুক্ত পরিবার বাছাই করে তাদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার জন্য ছাগল বিতরণ করেন এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

মেহেরপুরের ৬৩ বছরের বাসিরন লেখাপড়া শুরু করেছেন, পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করেছেন বাসিরন

নভেম্বর ০৫, ২০১৮

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া গ্রামে ৬৩ বছর বয়সে পিএসসি পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেছেন বাসিরন খাতুন।তিনি একই গ্রামের মৃত রহিল উদ্দিনের স্ত্রী।৩৫ বছর আগে স্বামীহারা হয়েছেন।এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। একমাত্র ছেলে মহির উদ্দিনের সঙ্গে থাকেন তিনি।ছেলে-মেয়েদের সন্তানরাও বড় হয়েছে।তারা এখন বিভিন্ন কলেজ ও বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। লেখাপড়ার প্রচণ্ড আগ্রহ থেকে তিনি নতুন করে আবার লেখাপড়া শুরু করেন।বাড়ি থেকে প্রতিদিন এক কিলোমিটার মেঠোপথ হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সারাদেশের ন্যায় তার স্কুল হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করলে তিনি জিপিএ-৩ পয়েন্ট নিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেন। তার সঙ্গে পরীক্ষা অংশ নেওয়া এ স্কুলের আরও ছয়জন এবছর পাশ করে স্কুলটি শতভাগ পাশের রেকর্ড করেছে।

বাসিরনএদিকে ৬৩ বছরে পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করে তিনি সারা দেশের বয়স্ক মানুষের জন্য উদাহরণ হয়ে গেছেন বাসিরন। তার পাশ করার খবর এলাকায় পৌঁছার পরপরই তার পরিবারের পাশিপাশি গ্রামের লোকজনের মধ্যে আনন্দর বন্য বয়ে গেছে।তার পাসের খবর শুনে গ্রামের লোকজন তাকে একনজর দেখার জন্য তার বাড়িতে ভিড় করছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে মিষ্টি মুখ করানো হচ্ছে। এ খবর পেয়ে মেহেরপুরের মহিলা সংসদ সদস্য সেলিনা আক্তার বানুও তার বাড়িতে ছুটে যান। তিনি বাসিরনকে মিষ্টি মুখ করান ও নিজে বাসিরনের হাতে মিষ্টি খান।

পাশ করার পর বাসিরন তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি আমার ৫ বছরের কষ্টের পুরস্কার পেলাম। এতকাল সবার পাশ করার খবর শুনে খুশি হতাম আজ নিজে পাশ করে বুঝতে পারছি পরীক্ষা পাশ করলে মানুষ কত খুশি হয়। তিনি বলেন, আমি থেমে থাকতে চাইনা এ বছর আমি৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে আরও বেশি পড়ালেখা করতে চাই।এবার আমার লক্ষ্য এসএসসি পাশ করা।এসময় তিনি তার স্কুলের ভবন তৈরিসহ স্কুলের উন্নয়নের দাবি করেন।

বাসিরনবাসিরনের স্কুলের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, বাসিরন খাতুন ২০১০ সালে স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য কয়েকবার এসেছিলেন। বয়স্ক মানুষ মনের বাসনায় ভর্তি হতে এসেছেন। পরে ক্লাস করবে কি না এভেবে সে বছর তাকে ভর্তি করানো হয়নি। পরবর্তীতে যখন সে আবার আসে ২০১১ সালে তাকে ভর্তি করি। ভর্তি করার পর থেকে তার আগ্রহ দেখে অবাক হয়েছি। আজ তার কারণে আমার স্কুলের মুখ উজ্জ্বল হলো। তিনি বাসিরনের আরও সফলতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেহেরপুরের মহিলা সংসদ সদস্য সেলিনা আক্তার বানু বলেন, বাসিরন শুধু মেহেরপুরের না সে এখন বাংলাদেশের গর্ব। তার দেখাদেখি এখন অনেক বয়স্ক মানুষ পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী হবেন। বাসিরন এখন সারা দেশের বয়স্ক শিক্ষার উদাহরণ হবে। বয়স্ক শিক্ষার বিস্তারে বাসিরনের অর্জন দেশের জন্যও ভালো খবর। এসময় তিনি বাসিরনের স্কুল হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন নির্মানসহ নানা উন্নয়নের আশ্বাস দেন।

তথ্যসূত্র: আমাদের প্রতিদিন 




মেহেরপুরে ‘পোড়া মন-২’ ছবির সুটিং

নভেম্বর ০৪, ২০১৮




আগাম ফুলকপির চাষ করছেন মেহেরপুরের চাষিরা

নভেম্বর ০৩, ২০১৮

জেলায় কপি চাষ করে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে চাষিরা। তাই এবার আগাম লাগানো ফুলকপি-বাধাকপি যত্নআত্মিতে ব্যস্ত সময় পার করছে তারা।

মেহেরপুর জেলার আগাম কপি চাষিদের মুখে এবার হাসি ফুটেছে। প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির এক অনাবিল সুখে কর্মব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এবার জেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গিয়েছে আগাম কপি লাগানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা।

আবহাওয়া অনুকূল ও কপিতে কোন রোগ বালাই না হলে এবারো ভালো ফলন ও লাভের আশা করছেন তারা। কপি চাষে বিঘা প্রতি মোট খরচ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ভাল বাজার দর পেলে ক্ষেত থেকে পাইকারী দরে বিঘায় এক লাখ টাকার কপি বিক্রি‘র আশা চাষিদের। জেলার বিভিন্ন মাঠে এবার ব্যাপকভাবে চোখে পড়েছে আগাম ফুল কপি চাষের চিত্র। বাম্পার ফলনের সঙ্গে আশা কাক্সিক্ষত দরের। এ ধারা অব্যাহত রাখা গেলে এ অঞ্চলে কৃষিতে ক্ষতি পুষিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের হিসেবে চলতি বছরে জেলায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে কপির চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে। এদিকে কৃষকদের কপির ভালো ফলন পেতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তাই গত কয়েক বছরের লোকসান পুষিয়ে এবারও লাভের মুখ দেখতে আশাবাদী চাষিরা।

সরেজমিনে সদর উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামের মাঠে পড়ন্ত বিকেলে ফুলকপি চাষি কুতুব উদ্দিনের সাথে কথা হয়। তিনি হেসে জানান, গতবছর ৬ বিঘা জমিতে ফুলকপি, পাতাকপি লাগিয়েছিলাম, প্রতি বিঘায় ১ লাখ টাকা হয়েছিল। এবার ৭ বিঘা লাগিয়েছি। তিনি আশা করছেন, এবার অন্তত ৮ লাখ টাকা বেচাকেনার।

একই গ্রামের দবির উদ্দীন নিজ বাড়ির অনতিদূরে তিনবিঘা জমিতে আগাম ফুলকপি চাষ করেছেন। তিনি জানালেন, প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আবহাওয়া ভালো থাকলে ৫০থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ থাকবে।

গ্রামের সবজি চাষিরা জানান, কৃষি বিভাগ যথেষ্ট দেখভাল করছে। তাদের পরামর্শে সময় মতো সার, ওষুধ, সেচ দিয়ে কপি চাষ করা হচ্ছে। আবহাওয়া ভাল থাকলে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় কপি বিক্রি হবে। দুর্যোগ হলে আসল টাকা ঘুরে আসে না।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান জানান, বিশেষ করে আগাম ফুলকপি চাষ নিয়ে কৃষকদের এখন কিভাবে সময় চলে যাচ্ছে তা বুঝতে পারছে না। কারণ গত বছর তারা ১ বিঘা ফুলকপি চাষ করে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পেয়েছে। লাভের আশায় কৃষক কিন্তু এ আগাম কপি চাষে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠ পর্ষায়ে চাষিদের কপির ভালো ফলনের জন্য বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি। বিশেষ করে কোন ধরনের পরিচর্যা নিতে হবে। কখন সেচ, সার, ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। সার্বক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন পরামর্শ পেয়ে কৃষকও দারুণ খুশি। আগাম জাতের কারণে পরিচর্যার বিষয়ে কিছু পার্থক্য আছে, সেই সব বিষয়গুলো আমরা কৃষকদের অবহিত করছি।




 
Copyright © মেহেরপুর ২৪. Designed by OddThemes